নোবেল পুরস্কার ও ভারতবর্ষ: কিছু অল্পপরিচিত তথ্য
গৌতম গঙ্গোপাধ্যায়
আজ পর্যন্ত যে সমস্ত ভারতীয় নোবেল পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন, আমরা প্রায় সকলেই তাঁদের নাম জানি।নোবেল পুরস্কারের নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছর নোবেল কমিটির কাছে মনোনয়ন জমা পড়ে, সাধারণত তাঁরা তার মধ্যে থেকেই প্রাপককে বেছে নেন। পঞ্চাশ বছর সেই সমস্ত তথ্য গোপন থাকে; সেই কারণে এই বছর ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত মনোনয়নের তালিকা নোবেল পুরস্কারের ওয়েব সাইটে পাওয়া যায়। অবশ্য বিশেষ করে সাহিত্যের ক্ষেত্রে এই গোপনীয়তা অনেক সময়েই রাখা হয় না, অনেক সংগঠন কাকে মনোনীত করছে তা ঘোষণা করে দেয়। তবে এই লেখাতে আমরা ১৯৭৪ সালের পরের কোনো কথা আলোচনাতে আনব না।
সুব্রহ্মণিয়ান চন্দ্রশেখর, হরগোবিন্দ খোরানা, ভেঙ্কি রামকৃষ্ণনের মতো কয়েকজন আছেন যাঁরা জন্মসূত্রে ভারতীয় হলেও বিদেশী নাগরিক হিসাবে পুরস্কার পেয়েছেন। এঁদের বাইরেও অন্তত দু'জন আছেন, যাঁদের জন্ম ব্রিটিশ ভারতে, কিন্তু তাঁদের আমরা সঠিক অর্থে ভারতীয় বলব না। ম্যালেরিয়ার চিকিৎসা বিষয়ে গবেষণার স্বীকৃতিতে রোনাল্ড রস শারীরবিদ্যা ও চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছিলেন ১৯০২ সালে। তাঁর জন্ম আলমোড়াতে। ১৯০৭ সালে সাহিত্যে নোবেলজয়ী জঙ্গল বুক-এর বিখ্যাত লেখক রুডইয়ার্ড কিপলিং জন্মেছিলেন বম্বে অর্থাৎ বর্তমান মুম্বাইতে। তবে যখন পুরস্কার ঘোষণা হয়, দুজনেই তখন গ্রেট ব্রিটেনের স্থায়ী বাসিন্দা। নোবেল কমিটিও এঁদের কাউকেই ভারতীয় হিসাবে গণ্য করে না। আরো কয়েকজন বিদেশী ভারতে গবেষণার জন্য শারীরবিদ্যাতে নোবেলের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন, তাঁদেরও আমরা আলোচনার বাইরে রাখছি। অবিভক্ত ভারতের নাগরিকদের আমরা অবশ্য ভারতীয়ই ধরছি।
বিজ্ঞান ও অর্থনীতির পুরস্কারগুলির জন্য কমিটি কিছু সংখ্যক নির্বাচিত ব্যক্তিদের থেকে মনোনয়ন আহ্বান করে। বিজ্ঞানে যে সমস্ত ভারতীয়ের নাম নোবেলের জন্য কখনো না কখনো মনোনীত হয়েছিল, তাঁদের সবাই সুপরিচিত। পদার্থবিজ্ঞানে মেঘনাদ সাহা (৭), সত্যেন্দ্রনাথ বসু (১১), হোমি জেহাঙ্গির ভাভা (৫), ই সি জি সুদর্শন (১), রসায়নে জি এন রামচন্দ্রন (৩) ও টি আর শেষাদ্রি (২), এবং শারীরবিদ্যাতে উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী (৬)-র সমর্থনে বিভিন্ন সময়ে মনোনয়ন জমা পড়েছিল। (বন্ধনীর মধ্যে সমর্থনে জমা পড়া মনোনয়নপত্রের সংখ্যা দেখানো হয়েছে।)
নোবেল সাহিত্য পুরস্কারের জন্য নোবেল কমিটি মনোনয়ন চেয়ে পাঠায়। তা ছারাও আগের নোবেলজয়ীরা, বিভিন্ন দেশের সাহিত্য আকাদেমির প্রধানরা বা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা মনোনয়ন জমা দিতে পারেন। শান্তির নোবেল পুরস্কারের জন্য পূর্বতন প্রাপক, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকসহ অনেকেই মনোনয়ন পাঠাতে পারেন।
কয়েকজন ভারতীয়ের নাম শান্তি ও সাহিত্যের জন্য মনোনীত ব্যক্তিদের দুই তালিকাতেই পাওয়া যাবে, তাঁদের মধ্যে প্রথমেই আসবে ভারতের রাষ্ট্রপতি সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের নাম। তিনি মোট ষোল বার সাহিত্যের জন্য এবং এগারো বার শান্তির নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন। আর এক ভারতীয় যাঁর নাম এই দুই বিভাগেই এসেছিল তিনি হলেন শ্রী অরবিন্দ; দুটি পুরস্কারের জন্যই তিনি একবার করে মনোনীত হয়েছিলেন।
রাধাকৃষ্ণন বা অরবিন্দের পরিচয় দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। কিন্তু আরো দুজন ভারতীয়ের নাম এই তালিকাতে আসবে, যাঁরা এখন বিস্মৃতপ্রায়। হরিমোহন ব্যানার্জি পাঁচবার শান্তি ও একবার সাহিত্যের জন্য মনোনীত হন। সঞ্জীব চৌধুরি দুবার সাহিত্য ও আটবার শান্তির নোবেলের জন্য মনোনীত হয়েছেন।
শান্তির নোবেলের জন্য অনেকেই মনোনয়ন জমা দিতে পারেন। তাই মনোনীত ব্যক্তিদের তালিকায় মহাত্মা গান্ধী (১২), জহরলাল নেহরু (১৩), বিনোবা ভাবে (১১)-র পাশাপাশি এমন অনেক নাম আছে, যাঁরা এখন প্রায় বিস্মৃত। সাহিত্যের মনোনীত ব্যক্তিদের তালিকায় আছে রবি দত্ত (২), বিজয়চন্দ্র মজুমদার (২), তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (৩) ও সুনীতিকুমার চ্যাটার্জি (২), ইন্দিরা দেবী ধনরাজগির (১) ও প্রতাপ ট্যান্ডন (১) । এঁদের মধ্যে ইন্দিরা দেবী ও প্রতাপ ট্যান্ডন এখনো জীবিত। সুইডিশ অ্যাকাডেমির নোবেল কমিটির সদস্যরা প্রতিবছর কমিটির প্রথম সভাতে নাম প্রস্তাব করতে পারেন। প্রথমবার প্রস্তাবিত হওয়ার পরে সুনীতিকুমার ও তারাশঙ্করের নাম এভাবেই এসেছিল।
আমাদের আলোচ্য সময়কালে দুজন ভারতীয় নোবেল পুরস্কার জিতেছিলেন। ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, তাঁর নাম প্রস্তাব করেছিলেন টমাস মুর। ওই একবারই রবীন্দ্রনাথের নাম প্রস্তাবিত হয়। সেই বছর সাহিত্য পুরস্কারের জন্য মোট ৩২টি নাম প্রস্তাবিত হয়েছিল। এঁদের মধ্যে কার্ল গুস্তাফ ভার্নার ভন হাইডেনস্টাম (১৯১৬), হেনরিক পন্টোপিডান (১৯১৭), কার্ল অ্যাডলফ গেজেলরুপ (১৯১৭), কার্ল স্পিটেলার (১৯১৯), আনাতোলে ফ্রান্স (১৯২১), গ্রাৎসিয়া দেলেদ্দা (১৯২৬) ও আঁরি বের্গসন (১৯২৭) পরে নোবেল পুরস্কার জিতবেন। প্রতিটি বিষয়ের নোবেল পুরস্কার বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট নোবেল কমিটি। সাহিত্যের পুরস্কারের জন্য সুপারিশ যায় সুইডিশ অ্যাকাডেমির কাছে। অ্যাকাডেমি সেই সুপারিশ মানতে বাধ্য নয়; রবীন্দ্রনাথের ক্ষেত্রে ঠিক তাই ঘটেছিল। কমিটি সুপারিশ করেছিল ফরাসি লেখক এমিল ফাগের নাম, কিন্তু অ্যাকাডেমি রবীন্দ্রনাথকেই নির্বাচিত করে। রবীন্দ্রনাথ নিজে একবারই কোনো নাম প্রস্তাব করেছিলেন; ১৯৩৫ সালে তিনি আইরিশ-ভারতীয় লেখক জেমস কাজিন্সকে সাহিত্যে নোবেলের জন্য মনোনীত করেন।
১৯৩০ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন। তাঁর নামে ১৯২৯ সালের পুরস্কারের জন্য দুটি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল, প্রস্তাবক ছিলেন চার্লস ফেব্রি ও নিল্স বোর। পরের বছর তাঁকে মনোনীত করেছিলেন নিল্স বোর, জাঁ পের্যাঁ, ওরেস্ট খোলসন, ইউজিন ব্লখ, লুই দ্য ব্রয়ি, মরিস দ্য ব্রয়ি, রিচার্ড ফেইফার, আর্নেস্ট রাদারফোর্ড, জোহানেস স্টার্ক ও চার্লস উইলসন। এঁদের মধ্যে বোর, পের্যাঁ, লুই দ্য ব্রয়ি, রাদারফোর্ড, স্টার্ক ও উইলসন ছিলেন নোবেলজয়ী।
১৯৩০ সালের মনোনয়নের তালিকাতে পদার্থবিজ্ঞানের অনেক রথীমহারথীর নাম পাওয়া যাবে। তাঁদের মধ্যে পরে যাঁরা এই পুরস্কার পাবেন, তাঁরা হলেন ভার্নার হাইজেনবার্গ (১৯৩২), এরভিন শ্রোয়ডিঙ্গার (১৯৩৩), মাক্স বর্ন (১৯৫৪), ক্লিন্টন ডেভিসন (১৯৩৭), পিটার ডিবাই (১৯৩৬, রসায়ন) ও অটো স্টার্ন (১৯৪৩)। সেই বছর মেঘনাদ সাহার নামও প্রথমবারের জন্য প্রস্তাবিত হয়েছিল, প্রস্তাবক ছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অধ্যাপক দেবেন্দ্রমোহন বসু ও শিশির কুমার মিত্র।
নোবেল কমিটি প্রাথমিকভাবে তিনজনের নাম নির্বাচিত করে রিপোর্ট তৈরি করে; সেই তিনজন হলেন রামন, মেঘনাদ ও রবার্ট উড। মেঘনাদ ও রবার্ট উডের ক্ষেত্রে কমিটি মনে করেছিল যে তাঁদের আবিষ্কার যথেষ্ট মৌলিক নয়। সাহার ক্ষেত্রে রিপোর্টের সারসংক্ষেপে লেখা হয়েছিল, ‘Saha’s work is proved to be very important for modern astrophysics, but this can hardly be seen as a new physical discovery, more as an application to known physical accumulated astrophysical data. With all recognition for the value of Saha’s achievements, the Committee find itself not in the position to recommend him for the reception of the Nobel Prize for physics.” (সুইডিশ ভাষা থেকে রাজিন্দর সিং কর্তৃক অনূদিত।) পরে আরো কয়েকবার মেঘনাদের নাম এসেছিল, নোবেলজয়ী আর্থার কম্পটন দুবার তাঁর নাম প্রস্তাব করেন, তবে কমিটি নতুন করে বিবেচনার প্রয়োজন বোধ করেনি।
রামনের ক্ষেত্রে বিষয়টা ছিল আরো জটিল, তাই কমিটি তা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেছিল। এখন আমরা যাকে রামন এফেক্ট বলি, দুই সোভিয়েত বিজ্ঞানী গ্রিগরি লান্ডসবার্গ ও লিওনিদ মান্ডেলস্টাম রামনের কয়েকদিন আগেই তা দেখেছিলেন। তাঁদের নামও সেই বছর পুরস্কারের জন্য প্রস্তাবিত হয়েছিল। কিন্তু রামনের প্রবন্ধটি তাঁদের অনেক আগেই প্রকাশিত হয়।
বিজ্ঞানে আগে প্রকাশকেই যে গুরুত্ব দেওয়া হয় তার অনেক নিদর্শন আছে। সন্দেহ নেই রামন তাঁর কাজের গুরুত্ব সোভিয়েত বিজ্ঞানীদের আগেই বুঝেছিলেন। আবিষ্কারটি হয় ১৯২৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি; রামন ১৬ মার্চ বাঙ্গালোরে এক বক্তৃতাতে তিনি ব্যাখ্যা করেন। কলকাতাতে ফিরে তিনি বক্তৃতাটি অবিলম্বে ইন্ডিয়ান জার্নাল অফ ফিজিক্স-এ ছাপানোর ব্যবস্থা করেন। তিনিই ছিলেন জার্নালটির সম্পাদক। লেখাটি প্রকাশ হয় ৩১ মার্চ, সঙ্গে সঙ্গে ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটি প্রেস সারা রাত কাজ করে একদিনের মধ্যে প্রবন্ধটির দু' হাজার কপি ছাপায়, পরের দিনই রামন সারা পৃথিবীর এই বিষয়ে গবেষণারত সমস্ত সুপরিচিত বিজ্ঞানীদের কাছে সেগুলি ডাকযোগে পাঠিয়ে দেন।
সম্ভবত লান্ডসবার্গ ও মেন্ডেলস্টামের কাছেও তা পৌঁছেছিল। তাঁদের প্রবন্ধটি তাঁরা পাঠিয়েছিলেন সেই বছর ৬ মে, জুলাই মাসে তা প্রকাশিত হয়। নোবেল কমিটির রিপোর্টে লেখা হয় লান্ডসবার্গ ও মেন্ডেলস্টামের প্রবন্ধে রামনের কাজের উল্লেখ আছে, এবং তাঁরা তাঁদের আবিষ্কারের একটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হিসাবে রামনের কথারই প্রতিধ্বনি করেছেন। সেই কারণে তাঁদের কাজকে স্বাধীন বলা যায় না। তা ছাড়াও তাঁরা জোর দিয়ে বলেন রামন দেখিয়েছেন যে সমস্ত পদার্থেই এই ক্রিয়া দেখা যাবে, দুই সোভিয়েত বিজ্ঞানী শুধুমাত্র কেলাসিত পদার্থের কথা বলেছিলেন। তাই রামনকেই আবিষ্কারকের সম্মান দিতে হয়। মনে রাখতে হবে যে সেই ক্রিয়াটি তখনই তাঁর নামেই পরিচিত হয়েছিল, নোবেল পুরস্কারের ঘোষণাতে আছে রামনকে পুরস্কৃত করা হচ্ছে ‘for his work on the scattering of light and for the discovery of the effect named after him.’ তাই রামনকে নির্বাচিত করে নোবেল কমিটি কোনো ভুল করেনি।
রামন নিজে পাঁচ জনকে নোবেলের জন্য মনোনীত করেন, তাঁরা হলেন অটো স্টার্ন, এনরিকো ফের্মি, আর্নেস্ট লরেন্স, সুব্রহ্মণিয়ান চন্দ্রশেখর ও জি এন রামচন্দ্রন। এঁদের মধ্যে রামচন্দ্রন ছাড়া বাকিরা পরে পুরস্কার জিতেছেন। মেঘনাদ সাহা একটিই মনোনয়ন পাঠিয়েছিলেন, তাঁর পছন্দ ছিলেন আর্নল্ড সমারফেল্ড। বিভিন্ন সময় সমারফেল্ডের নামে মোট বিরাশিটি মনোনয়ন জমা পড়েছিল, কিন্তু পুরস্কার তাঁর অধরাই রয়ে যায়। ১৯৫১ সালেই এক পথ দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়; মৃত ব্যক্তির নাম নোবেলের জন্য বিবেচনা করা হয় না।
শেষ করি সত্যেন্দ্রনাথের কথা দিয়ে। তাঁকে কোনো বিদেশি বিজ্ঞানী কখনো পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেননি। প্রথমবার তাঁর সমর্থনে মনোনয়ন জমা পড়ার পরে তা বিবেচনার জন্য নোবেল কমিটি বিশিষ্ট বিজ্ঞানী অস্কার ক্লাইনকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। ক্লাইন বোস সংখ্যায়নের কাজটিকে গুরুত্বপূর্ণ বলে স্বীকার করলেও অন্য অনেকের থেকে কম কৃতিত্বের বলে রিপোর্টে লেখেন। তাই বোস সংখ্যায়নের বেশ কয়েকটি প্রয়োগকে পরবর্তীকালে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হলেও সত্যেন্দ্রনাথের নাম পুরস্কৃতদের তালিকাতে পাওয়া যাব না। তবে বোস-আইনস্টাইন ঘনীভবনের জন্য নোবেল পুরস্কারজয়ী উলফগ্যাং কেটার্লের কথাই এখানে শেষ কথা হতে পারে, ‘ব্রহ্মাণ্ডের অর্ধেক কণা যাঁর নাম বহন করে, তাঁকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হল কিনা তাতে কী আসে যায়?’
জার্মানির ওল্ডেনবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বন্ধু রাজিন্দর সিং দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় নোবেল পুরস্কার প্রাপক ও মনোনয়নকারীদের নিয়ে কাজ করে চলেছেন এবং বেশ কয়েকটি প্রবন্ধ ও বই প্রকাশ করেছেন। অনেক তথ্য তাঁর লেখা থেকে নেওয়া হয়েছে। বাকি তথ্য নোবেল পুরস্কারের ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া গেছে।
প্রকাশ অর্চি পত্রিকা, একাদশ সংখ্যা, কলকাতা বইমেলা ২০২৬